ঢাকার সেরা ১০টি বাজেট-ফ্রেন্ডলি স্ট্রিট ফুড স্পট: কম টাকায় জমজমাট খাওয়াদাওয়ার ঠিকানা - Pandabari.com

কল করুন: 01799-377-366

Free delivery on all orders over ৳1100

ঢাকার সেরা ১০টি বাজেট-ফ্রেন্ডলি স্ট্রিট ফুড স্পট: কম টাকায় জমজমাট খাওয়াদাওয়ার ঠিকানা

পকেটে ২০০ টাকা। বন্ধুর মেসেজ, ‘কোথায় খাবি?’ উত্তর দেওয়ার আগেই মাথায় হিসাব শুরু। যাওয়া-আসার ভাড়া আছে, খাওয়ার খরচ আছে, সঙ্গে আবার সেই বন্ধু, যার ‘একটু চেখে দেখি’ মানে আপনার প্লেটের অর্ধেক গায়েব!

ঢাকায় ভালো স্ট্রিট ফুড খেতে অবশ্য বড় বাজেটের দরকার হয় না। টিএসসির ঝালমুড়ি, বেইলি রোডের ফুচকা, পুরান ঢাকার কাবাব কিংবা লক্ষ্মীবাজারের গরম শিঙাড়া, শহরের নানা কোণে অপেক্ষা করে আছে মজার সব খাবার।

ঢাকার সেরা ১০টি বাজেট-ফ্রেন্ডলি স্ট্রিট ফুড স্পটের এই তালিকায় থাকছে কোথায় যাবেন, কী খাবেন, কত টাকা বাজেট রাখবেন এবং কোথায় খাওয়ার পাশাপাশি আড্ডাটাও জমবে।

এই বাছাই কোনো আনুষ্ঠানিক র‍্যাঙ্কিং নয়। পরিচিতি, খাবারের বৈচিত্র্য, তুলনামূলক সাশ্রয়ী বিকল্প এবং যাতায়াতের সুবিধা বিবেচনা করা হয়েছে।

দামের নোট: নিচের বাজেটগুলো পরিকল্পনার জন্য আনুমানিক, ১০ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে প্রতিটি দোকানের যাচাই করা মেনু-দাম নয়। দোকান, পরিমাণ ও সময় অনুযায়ী খরচ বদলাতে পারে।

একনজরে কোথায় কী খাবেন

এলাকাযে খাবারের খোঁজে যাবেনজনপ্রতি পরিকল্পিত বাজেট
টিএসসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ঝালমুড়ি, ফুচকা৳৫০–১৫০
বেইলি রোডফুচকা, চটপটি৳৮০–২০০
ধানমন্ডি লেক, ৩২ নম্বর এলাকাফুচকা, দই ফুচকা৳৮০–২০০
মোহাম্মদপুর টাউন হলচটপটি, ভাজাপোড়া৳৬০–১৮০
নাজিরাবাজার, পুরান ঢাকাকাবাব, পরোটা৳১৫০–৩০০
চকবাজার, পুরান ঢাকাহালিম, ছোলা, কাবাব৳৮০–২৫০
লক্ষ্মীবাজারশিঙাড়া, পুরি, চপ৳৪০–১২০
খিলগাঁও তালতলারোল, ফুচকা, ঝাল নাশতা৳৮০–২০০
মিরপুর ১০রোল, মোমো, ফাস্ট ফুড৳১০০–২৫০
পরিবাগ, ইস্কাটন গার্ডেন রোডমোমো, রোল, মিশ্র স্ট্রিট ফুড৳১০০–২৫০

১. টিএসসি: আড্ডার সঙ্গে ঝালমুড়ির আলাদা সম্পর্ক

File:Jhalmuri seller at dhaka.jpg - Wikimedia Commons

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় গেলে একটা ব্যাপার বোঝা যায়। আড্ডা শুরু করতে বিশাল আয়োজন লাগে না। কয়েকজন বন্ধু, বসার একটু জায়গা, আর কাগজের ঠোঙায় ঝালমুড়ি পেলেই আলোচনা রাজনীতি থেকে সিনেমা হয়ে কার কার প্রেম টিকল না, সেখানে পৌঁছে যায়।

ঝালমুড়ির মজা তার সরলতায়। মুড়ির সঙ্গে পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, চানাচুর, সরিষার তেল আর লেবুর টক। ভালো করে মাখানো হলে এক ঠোঙা শেষ হতে খুব বেশি সময় লাগে না।

কী খাবেন: ঝালমুড়ি, ফুচকা কিংবা মৌসুমে ভাপা পিঠা।

কার জন্য ভালো: শিক্ষার্থী, বন্ধুদের আড্ডা এবং কম বাজেটের বিকেলের নাশতা।

এখানে খাবারের পাশাপাশি আশপাশের পরিবেশটাই বাড়তি পাওনা। তবে অনুষ্ঠান বা ব্যস্ত দিনে ভিড় বেশি থাকতে পারে।

২. বেইলি রোড: ফুচকার টকজলে বিকেলের ক্লান্তি উধাও

Ecstatic Street Foods in Dhaka City

এক প্লেট ফুচকা সামনে আসার পর ‘আমি বেশি ঝাল খাই না’ কথাটা কতজন মনে রাখতে পারেন?

বেইলি রোডে ফুচকা ও চটপটির দোকান খোঁজার আলাদা আকর্ষণ আছে। আশপাশে কেনাকাটা বা ঘোরাঘুরির পর একটু থেমে নাশতা করার জন্য এলাকাটি পরিচিত। আলুর পুর, মটর, ডিমের কুচি আর তেঁতুলের টকজল, এই পরিচিত সমীকরণই অনেকের মন ভালো করে দেয়।

এখানে ফুচকা বা চটপটি দিয়ে খাওয়া শুরু করুন। তারপর খিদে আর বাজেটের অবস্থা দেখে দ্বিতীয় প্লেটের সিদ্ধান্ত নিন।

সন্ধ্যার দিকে নাশতার জন্য যাওয়া সুবিধাজনক হতে পারে। নির্দিষ্ট দোকান খোলা আছে কি না, পৌঁছে দেখে নেওয়াই ভালো।

৩. ধানমন্ডি লেক: হাঁটাহাঁটির অজুহাতে ফুচকা

এশিয়ার সেরা স্ট্রিট ফুডের তালিকায় বাংলাদেশের ফুচকা | The Business Standard

ধানমন্ডি লেকের পাশে হাঁটতে বেরিয়ে খাবারের কথা মনে পড়া খুব অস্বাভাবিক কিছু নয়। বরং অনেক সময় হাঁটার পরিকল্পনাটাই বদলে যায়।

৩২ নম্বর সড়কের আশপাশের ফুচকার দোকানগুলো এই ধরনের বিকেলের নাশতার জন্য পরিচিত। সাধারণ ফুচকার সঙ্গে দই ফুচকা বা চটপটি পাওয়া গেলে স্বাদের বৈচিত্র্যও মিলবে।

বন্ধুদের সঙ্গে গেলে একটা বুদ্ধি কাজে দেয়। একসঙ্গে তিন রকম খাবার না নিয়ে দুটি পদ ভাগ করে নিন। খরচও কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকবে, আবার স্বাদ বদলানোর সুযোগও মিলবে।

এলাকায় যানজট হতে পারে। কাছাকাছি থাকলে হাঁটাপথে ঘুরে দেখা বেশি আরামদায়ক।

৪. মোহাম্মদপুর টাউন হল: বাজারের কোলাহলে নাশতার বিরতি

Sujon Chotpoti House: Order Online on Pathao Food!

মোহাম্মদপুর টাউন হল এলাকায় বাজার করতে এসে খিদে পাওয়া যেন খুব স্বাভাবিক ঘটনা। বাজারের ব্যাগ হাতে, মাথায় কেনাকাটার হিসাব, এমন সময় চটপটি কিংবা গরম ভাজাপোড়ার গন্ধে একটু দাঁড়াতে ইচ্ছা করতেই পারে।

এলাকার খাবারের দোকানগুলোতে চটপটি, ফুচকা, চপ কিংবা শিঙাড়ার মতো পরিচিত নাশতা খুঁজে দেখতে পারেন।

এখানে মূল সুবিধা হলো কম খরচে ছোট ছোট পদ বেছে খাওয়ার সুযোগ। বড় খাবার না নিয়ে হালকা নাশতায় ক্ষুধা সামলাতে চাইলে এই এলাকা তালিকায় রাখুন।

কোন দোকানে ভিড় বেশি, কোথায় খাবার নতুন করে বানানো হচ্ছে, একটু দেখে তারপর অর্ডার দিন।

৫. নাজিরাবাজার: কাবাবপ্রেমীদের পুরান ঢাকার ঠিকানা

Not just biriyanis, Old Dhaka has a legacy of afternoon snacks too | The Business Standard

পুরান ঢাকার নাজিরাবাজারে গেলে খাবারের তালিকা ছোট রাখা কঠিন। বিশেষ করে কাবাবের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে।

কয়লার আঁচে সেঁকা কাবাব, সঙ্গে পরোটা আর পেঁয়াজের টুকরা। গরম অবস্থায় পরিবেশন করা খাবারের আবেদনটাই আলাদা। নাজিরাবাজারের কাবাবের পরিচিতি নিয়ে উইকিমিডিয়া কমন্সে নাজিরাবাজারের ছবি দেখলেও এলাকার খাবারের বৈচিত্র্যের একটা ধারণা পাওয়া যায়।

এখানে অবশ্য বাজেট একটু হিসাব করে চলতে হবে। বড় প্লেট বা দামি মাংসের পদ নিলে খরচ সহজেই বেড়ে যেতে পারে।

টাকা বাঁচানোর কৌশল: দুজন মিলে কাবাব আর পরোটা ভাগ করে নিতে পারেন। অর্ডারের আগে দাম ও পরিমাণ জেনে নিন।

৬. চকবাজার: হালিম, ছোলা আর পুরান ঢাকার ইফতার সংস্কৃতি

Chawkbazar comes alive with iftar delicacies | The Daily Star

চকবাজারের নাম শুনলে অনেকেরই প্রথমে মনে পড়ে রমজানের ইফতার বাজার। পেঁয়াজু, বেগুনি, ছোলা, হালিম, কাবাবের কত রকম আয়োজন!

বিশেষ করে রমজানে শাহী মসজিদের আশপাশের এলাকায় খাবারের দোকান ও ক্রেতাদের ভিড় নিয়ে নিয়মিত সংবাদ প্রকাশিত হয়। ২০২৬ সালে পুরান ঢাকার ইফতার বাজার নিয়ে ঢাকা ট্রিবিউনের প্রতিবেদন সেই পরিবেশের একটি সাম্প্রতিক উদাহরণ।

ছোলা, হালিম কিংবা পেঁয়াজুর মতো পদ দিয়ে খরচ সীমিত রাখার চেষ্টা করতে পারেন। আর হ্যাঁ, চকবাজারের বিখ্যাত মৌসুমি ইফতার বাজার সারা বছর বসে না। শুধু সেই আয়োজন দেখতে চাইলে রমজানেই যেতে হবে।

৭. লক্ষ্মীবাজার: গরম শিঙাড়া আর টিফিনের পুরোনো মায়া

The tiffin streets of Luxmibazar | The Business Standard

স্কুল ছুটির পর একদল শিক্ষার্থী দোকানে দাঁড়িয়েছে। কারও হাতে শিঙাড়া, কেউ চপ খাচ্ছে, আর একজন হিসাব করছে বাকি টাকায় আরেকটা পুরি কেনা যাবে কি না।

লক্ষ্মীবাজারের টিফিনের দোকানগুলোর পরিবেশ বোঝাতে এই দৃশ্যটা বেশ মানানসই। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের লক্ষ্মীবাজারের টিফিন স্ট্রিট বিষয়ক প্রতিবেদন এলাকাটির এই খাবারসংস্কৃতি তুলে ধরেছে।

এখানে দামি কোনো খাবারের পরিকল্পনা দরকার নেই। শিঙাড়া, পুরি, চপ কিংবা অন্য ছোট ভাজাপোড়া দিয়েই বিকেলের ক্ষুধা মেটানো যায়।

বিশেষ করে খুব অল্প বাজেটে কয়েক ধরনের দেশি নাশতা খুঁজতে চাইলে লক্ষ্মীবাজারকে গুরুত্ব দিন।

৮. খিলগাঁও তালতলা: সন্ধ্যার আড্ডা আর ঝাল নাশতা

How a food street transformed the face of Khilgaon-Taltola | The Business Standard

খিলগাঁও তালতলা এলাকাটি খাবারের আড্ডার জন্য পরিচিত। সন্ধ্যায় বন্ধুদের সঙ্গে বেরিয়ে ফুচকা, চটপটি, রোল কিংবা বিভিন্ন ভাজাপোড়ার দোকান খুঁজে দেখতে পারেন।

তালতলার সুবিধা হলো একটি খাবার পছন্দ না হলে আশপাশের বিকল্প দোকানও ঘুরে দেখার সুযোগ।

তবে একটা ছোট্ট বিপদ আছে। চারদিকে এত খাবারের সম্ভাবনা দেখে কেউ যদি বলে, ‘আরেকটু সামনে যাই’, তাহলে নাশতা খাওয়ার চেয়ে খাবার খোঁজার সময়ই বেশি চলে যেতে পারে!

যা করবেন: আগে বাজেট ঠিক করুন। তারপর একটি পছন্দের পদ দিয়ে শুরু করুন। সব দোকানে একই খাবার বা একই দাম পাবেন ধরে নেবেন না।

৯. মিরপুর ১০: ব্যস্ত শহরের মাঝে দ্রুত নাশতার খোঁজ

মিরপুর ১০-এ গিয়ে যা যা খাবেন

মিরপুর ১০-এর ব্যস্ততা নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কিছু নেই। মেট্রো, বাস, দোকানপাট, মানুষজন। এর মাঝেই আশপাশের গলিতে ছোট খাবারের দোকানের খোঁজ মেলে।

রোল, মোমো, বার্গার কিংবা পরিচিত ভাজাপোড়া, বিভিন্ন ধরনের দ্রুত খাওয়ার নাশতা খুঁজতে পারেন।

এখানে একটা বিষয় মনে রাখা ভালো। সব স্ট্রিট ফুড সমান সাশ্রয়ী নয়। চিজ, অতিরিক্ত মাংস বা বড় কম্বো নিলে সাধারণ রোলের তুলনায় অনেক বেশি টাকা খরচ হতে পারে।

তাই দোকানের মেনু দেখে অর্ডার দিন। অল্প ক্ষুধার জন্য ছোট খাবারই যথেষ্ট।

১০. পরিবাগের স্ট্রিট ফুড: এক গলিতে নানা পদের খোঁজ

সন্ধ্যা হলেই ঢাকার যে রাস্তায় জমে স্ট্রিট ফুডের মেলা | প্রথম আলো

পরিবাগ ফুটওভারব্রিজের কাছাকাছি ইস্কাটন গার্ডেন রোডে খাবারের গাড়ি ও দোকান নিয়ে ২০২৪ সালে দ্য ডেইলি স্টার একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল।

এলাকাটি মূলত নানা ধরনের রাস্তার খাবার একসঙ্গে খুঁজে দেখার সুযোগের জন্য আকর্ষণীয়। মোমো, রোল কিংবা অন্যান্য ছোট নাশতা বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকতে পারে।

যারা একই ধরনের ফুচকা-চটপটির বাইরে একটু ভিন্ন কিছু খুঁজছেন, তাঁদের জন্য পরিবাগ ঘুরে দেখা মন্দ হবে না। তবে প্রতিবেদন প্রকাশের পর দোকান ও সময়সূচি বদলে থাকতে পারে।

যাওয়ার আগে বর্তমান দোকানপাট ও খোলার সময় যাচাই করে নিন।

২০০ টাকার মধ্যে স্ট্রিট ফুড খেতে চাইলে

২০০ টাকা হাতে থাকলে প্রথমেই ঠিক করুন, পুরো টাকা খাবারে খরচ করবেন নাকি যাতায়াতের জন্যও কিছু রাখতে হবে।

যদি খাবারের বাজেট ২০০ টাকাই হয়, তাহলে প্রথমে ৫০–১০০ টাকার একটি নাশতা বেছে নিন। দ্বিতীয় পদ নেওয়ার আগে দাম জেনে নিন। বন্ধুদের সঙ্গে গেলে ভাগাভাগি করে দুই ধরনের খাবার খাওয়াও সম্ভব।

একটা কথা মনে রাখবেন, ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করার জন্য তিন প্লেট খাবার কেনার দরকার নেই। এক প্লেট ভালো নাশতা আর জমজমাট আড্ডাতেও বিকেলটা সুন্দর কাটতে পারে।

রাস্তার খাবার খাওয়ার সময় যে বিষয়গুলো খেয়াল করবেন

  • গরম অবস্থায় পরিবেশন করা খাবার এবং পরিচ্ছন্ন দোকানকে অগ্রাধিকার দিন।
  • ফুচকার টকজল বা শরবতের পানির উৎস সম্পর্কে সন্দেহ থাকলে এড়িয়ে চলুন।
  • খোলা খাবার ধুলা ও মাছি থেকে সুরক্ষিত আছে কি না দেখুন।
  • অর্ডারের আগে খাবারের দাম ও পরিমাণ জেনে নিন, বিশেষ করে কাবাব, মোমো ও কম্বো খাবারের ক্ষেত্রে।

ঢাকার স্ট্রিট ফুড নিয়ে সাধারণ কিছু প্রশ্ন

ঢাকায় সবচেয়ে কম টাকায় কোথায় নাশতা করা যায়?

টিএসসি ও লক্ষ্মীবাজারে ঝালমুড়ি, শিঙাড়া এবং ছোট ভাজাপোড়ার মতো খাবার খুঁজতে পারেন। নির্দিষ্ট দোকানের দামের ওপর প্রকৃত খরচ নির্ভর করবে।

রাতে স্ট্রিট ফুড খেতে কোথায় যাওয়া যায়?

নাজিরাবাজার, বেইলি রোড, খিলগাঁও তালতলা এবং পরিবাগ সন্ধ্যার খাবারের জন্য পরিচিত। গভীর রাত পর্যন্ত সব দোকান খোলা থাকে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

খাবারের আনন্দটা থাকুক পথের মধ্যেই

ঢাকায় কখনো কখনো খাবারের চেয়েও বেশি মনে থাকে খাবার ঘিরে তৈরি হওয়া মুহূর্তগুলো। ফুটপাতে দাঁড়িয়ে গরম শিঙাড়া খাওয়া, বন্ধুর সঙ্গে শেষ ফুচকাটা নিয়ে তর্ক কিংবা নাজিরাবাজারে কাবাবের অপেক্ষায় গল্প।

পাণ্ডাবাড়ির এই তালিকা থেকে নিজের কাছাকাছি একটা এলাকা বেছে নিতে পারেন। পকেটের হিসাব আগে করে নিন। তারপর বন্ধুকে বলুন, ‘চেখে দেখবি? আগে নিজের প্লেটটা নে!’